আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্পছোটগল্পভৌতিক গল্প

সোমা ও মিনি >> সানজিদা প্রীতি । আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্প

সানজিদা প্রীতির লেখা ‘সোমা ও মিনি’ ছোটগল্পটি আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্প প্রতিযোগিতা – ১ এ প্রথম স্থান অর্জন করে এবং সাদাত হোসাইনের ‘নিঃসঙ্গ নক্ষত্র‘ বইটি পুরষ্কার হিসেবে জিতে নেয়।

“ম্যাও ম্যাও” বাদামী রং এর বিড়ালটা ডেকেই যাচ্ছে। অন্যদিন হলে সোমা দৌড়ে গিয়ে বিড়ালটাকে দেখত। কিন্তু আজ সোমার মন খারাপ। ভীষণ মন খারাপ। কেন মন খারাপ সোমা জানে না। আসলে বুঝতে পারছে না কেন মনটা খারাপ। তার দাদীমার জন্য নাকি অন্য কিছুর জন্য মন খারাপ সেটাই ধরতে পারছে না সোমা। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে এই বিড়ালটা দেখার জন্য সোমা বারান্দায় যায়। বিড়ালটা হচ্ছে পাশের বাসায় থাকা একজন লোকের। লোকটার নাম রমিজ আলী। রমিজ আলীর বিড়ালটার গায়ের রং আর চোখ গুলো সোমাকে বেশি আকৃষ্ট করে। কিন্তু রাতে দেখা স্বপ্নটা তাকে বিছানা ছেড়ে উঠতেই যেন দিচ্ছে না। কাল রাতে সোমার দাদীমা এসেছিল তার স্বপ্নে এবং তিনি বলে গেছেন রমিজ আলী একজন খারাপ মানুষ। শুধু খারাপ মানুষ না অতি খারাপ মানুষ। তার দাদীমা নিষেধ করেছে এই লোকটার সাথে যেন সে না মিশে। এই লোকটা আজকে তার পোষা বিড়ালটাকে খারাপ ভাবে হত্যা করবে। এরপরেই সোমা দেখতে পেল রমিজ আলী সত্যি সত্যি তার সামনে মিনিকে হত্যা করছিল। মিনি সে কি চিৎকার দিয়ে দিয়ে ডাকছিল। রমিজ আলী যখন সোমার দিকে তাকালো তখন একটা অদ্ভুত হাসি দিয়ে তার কাছে আসতে লাগল। আর সে মুহূর্তে সোমার ঘুমটা ভেঙে যায়।

দশটা বেজে গেছে এখনও সোমা বিছানা ছেড়ে না উঠাতে তার মা, শায়লা বেগম রুমে আসেন। সোমাকে শুয়ে থাকতে দেখে তিনি সোমার পাশে গিয়ে বসেন। সোমার মাথায় হাত বোলাতে বোলাতে বলেন,

– কী হইছে মা? অন্যদিন তো আটটাই উঠে যাও আজকে এখনও উঠলে না যে?

সোমা শায়লা বেগমের কোলে মাথা রেখে বলতে লাগল,

-আচ্ছা মা আমরা স্বপ্নে যা দেখি তা কী সত্যি হয়?

শায়লা বেগম উত্তরে বলে,

-ধুর পাগলী মেয়ে আমার, স্বপ্ন কখনও সত্যি হয় নাকি?স্বপ্ন তো স্বপ্নই। তা আমার সোনা মেয়ে কী স্বপ্ন দেখেছে শুনি?

সোমা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

-মা, কালকে দাদীমাকে স্বপ্নে দেখেছি। দাদীমা বলেছে মিনি নাকি মারা যাবে। আমি আর মিনিকে দেখতে পাবো না মা?

ছয় বছর বয়সী সোমার কথা শুনে শায়লা বেগম মৃদু হেসে বললেন,

-পাবে না কেন? পাবে পাবে। আসলে তুমি দাদীমাকে খুব মিস করছ আর মিনিকেও খুব ভালোবাসোতো তাই হয়তো এমন স্বপ্ন দেখেছ। এখন দেখি লক্ষ্মী মেয়ের মত উঠে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নাও তো। আজকে তোমার পছন্দের ভুনা খিচুড়ি রান্না করেছি। চল চল ফ্রেশ হয়ে নাও।

বেশ কিছুদিন থেকে রমিজ আলী সোমাকে খুব আদর করেন। যখনই সোমার সাথে দেখা হয় তাকে একটা করে চকলেট ধরিয়ে দেন তিনি। রমিজ আলী একা মানুষ। তার সংসার, বউ,বাচ্চা কেউ নেই। একাই ভাড়া থাকেন পাঁচ কি ছয় বছর ধরে এই বাড়িতে। গত দশ বছর ধরেই রমিজ আলী একটা হাসপাতালে কাজ করছেন। হসপাতালের মর্গের লাশ গুলো দেখে রাখায় তার কাজ। চল্লিশ বছর বয়সী রমিজ আলী একজন ঠান্ডা মস্তিষ্কের লোক। তার পোষা বিড়ালের চোখের মতই তার চোখেও যেন অনেক কিছুই লুকিয়ে আছে। তার চোখের ভাষা সহজে বুঝার উপায় নেই। কিন্তু তার চেহারা দেখলে মনে হয় তার মত নিষ্পাপ, সহজ,সরল,ভালো মানুষ আর নেই। গত দশ বছর ধরে তিনি যা করে আসছেন তারপর তাকে ভালো আর নিষ্পাপ বলাটা সত্যি পাপ হবে। রমিজ আলী থ্যানাটোফিলিয়ায় ভীষণ ভাবে আক্রান্ত একজন মানুষ। তার মস্তিষ্ক সম্পূর্ণ বিকৃত হয়ে গেছে। গত দশ বছরে মর্গে থাকা লাশের সাথে সে কি না করেছে! যখনই একটা করে নারীর লাশ এসে মর্গে জমা হয় তখনই রমিজ আলীর মুখে হাসির রেশ আরও বেড়ে যায়। এছাড়া সে সোমাদের এলাকায় যবে থেকে এসেছে, যত গুলো নারীর লাশ কবর দেওয়া হইছে, হোক সে শিশু বা বৃদ্ধ কেউ তার হাত থেকে রেহায় পায় নি। সে তার শারীরিক চাহিদা মিটিয়েছে এই লাশ গুলোর থেকে। সোমার দাদীমার লাশের সাথেও সে এমন জঘন্য কাজটি করেছে। সে প্রতিটা লাশের সাথেই এই কুরুচিপূর্ণ কাজটি করে থাকে। রাতের আধাঁরে লাশ গুলোকে কবর থেকে তুলে, তাদের সাথে খারাপ কাজটি করে লাশ গুলোর নগ্ন দেহ কবরের পাশে রেখে যায়। কাজটা সে এতোটাই সাবধানতার সাথে করে যে, এই পাঁচ বছরে কেউ এখনও বুঝতে পারেনি এমন কুৎসিত কাজটা কে করছে?
মৃত মানুষের পাশাপাশি তার এই কুরুচি কেন যেন এখন ছোট বাচ্চাদের দিকে ছুটে যাচ্ছে। তার লোভ দিন দিন আরও বেড়ে চলছে।

সোমাদের বাসা আর রমিজ আলীর বাসা মুখামুখি শুধু মাঝখানে একটা রাস্তা তাদের বাসা দুটিকে আলাদা করেছে। সোমা কিছুক্ষণ পর পর এসে বারান্দা দিয়ে মিনিকে দেখছে। বিড়ালটাকে রমিজ আলী বেঁধে রেখে গেছে। আজ বিড়ালটাকে দেখে সোমার কেন জানি অন্যদিনের থেকেও বেশি মায়া লাগছে। তার মনে হচ্ছে বিড়ালটা তাকে কিছু বলতে চাচ্ছে কিন্তু মিনি কথা বলতে না পারায় তাকে বলতে পারছে না। সোমা মনে মনে ভেবে রেখেছে, আজ রমিজ চাচার সাথে দেখা হলে তাকে বলবে মিনিকে যেন এমন বেঁধে না রাখে। কিন্তু সেদিন আর রমিজ আলীর সাথে সোমার দেখা হলো না।

রাতে সোমা ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ মিনির আর্তনাদ করা চিৎকারে তার ঘুমটা ভেঙে যায়। সোমা তাড়াতাড়ি করে উঠে বারান্দায় গেল। সে রমিজ আলীর ঘরটার দিকে তাকিয়ে আছে। মিনিকে দেখার চেষ্টা করছে সে। কিছুক্ষণের মধ্যেই মিনির চিৎকার বন্ধ হয়ে গেল। সোমা বারান্দা শিক গুলো ধরে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মিনিকে একবার দেখার জন্য। সোমার চোখ থেকে পানি তার গাল বেয়ে নিচে পড়ছে। কিছুক্ষণ পর সোমা দেখল রমিজ আলী হাতে কী যেন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আসছে। মৃদু আলোতে সোমা বুঝতে পারল না রমিজ আলীর হাতে ওইটা কি ছিল। রমিজ আলী এইদিক ওইদিক তাকিয়ে উত্তর দিকে হাঁটা শুরু করেছে। সোমা দোতালার বারান্দা থেকে শুধু তার হেঁটে যাওয়াটাই দেখছে। রমিজ আলী অন্ধকারে কোথায় জানি হারিয়ে গেছে। তাকে দেখতে না পেয়ে সোমা রুমে চলে আসে। সোমার প্রচণ্ড কান্না পাচ্ছে। কেন কান্না পাচ্ছে তা সে জানে না। সোমা শুয়ে শুয়ে কান্না করছে শব্দ না করে।

পরের দিন সকালে যখন ঘুম ভাঙে সোমা দৌড়ে গিয়ে বারান্দায় যায় মিনিকে দেখতে। কিন্তু মিনিকে সে কোথাও দেখে না আর।

সেদিন বিকাল বেলায় সোমা বাকিদের সাথে মাঠে খেলছিল। রমিজ আলীকে দেখতে পেয়ে দৌড়ে তার কাছে যায়।

– চাচা চাচা মিনি কোথায়? সকাল থেকে ও’কে যে কোথাও দেখতে পাইনি। মিনি কোথায় চাচা?

সোমার প্রশ্ন শুনে রমিজ আলী মুখে হাসি রেখা টেনে বলল,

– তোমার মিনি কয়দিনের জন্য একটা জায়গায় বেড়াতে গেছে। তুমি যাবে মিনিকে দেখতে?

সোমা বলল,

– কোথায় ঘুরতে গেছে? আর আমি কীভাবে যাব?

-তুমি চাইলে আমি তোমাকে নিয়ে যেতে পারি।

-কিন্তু আগে তো মাকে বলতে হবে। মা যদি রাজি হয় তারপরেই তো যেতে পারব।

– না না বাসায় বলা চলবে না। মিনি আমাকে বলেছে তোমাকে নিয়ে একা যাওয়ার জন্য। এখন তুমি যদি সবাইকে বলে দাও তাহলে তো মিনি রাগ করবে। মিনি রাগ করলে তোমার কী ভালো লাগবে বল? মিনি সেখানে তোমার জন্য অনেক গুলো চকলেট নিয়ে অপেক্ষা করছে। তুমি যদি কাউকে না জানিয়ে আমার সাথে একা যাও তাহলে তোমাকে সব চকলেট দিয়ে দিবে।

– সত্যি চাচা! ঠিক আছে আমি কাউকে বলব না। কিন্তু আমরা কখন যাব মিনির কাছে?

-কাল বিকালে যাব। তুমি বিকালে খেলতে আসার নাম করে ওই ঝোপটার পিছনে লুকিয়ে থাকবে। সেখান থেকে আমি তোমাকে নিয়ে যাব মিনির কাছে।

-আচ্ছা ঠিক আছে চাচা। আরেকটা কথা চাচা। কালকে মিনি এমন চিৎকার কেন করেছিল?

-ওই যে মিনি তার নতুন জায়গায় যেতে চায়নি তাকে জোর করে পাঠিয়েছি তো তাই চিৎকার করেছিল।

-ও আচ্ছা এখন বুঝেছি।

– হুম আর একটা কথা এই সম্পূর্ণ ব্যাপারটাই যেন আমাদের মধ্যে সিক্রেট থাকে কেমন? এই নাও তোমার জন্য কিছু চকলেট এনেছি।

রমিজ আলী তিনটা চকলেট সোমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে হাসতে লাগল। সোমা মাথা নেড়ে হাসি মুখে চকলেট গুলো নিয়ে নিল।

সোমা বাসায় কিছু না জানিয়ে রমিজ আলীর সাথে যাওয়ার জন্য ঝোপের পিছনে বসে আছে। কিছুক্ষণ পর রমিজ আলী আসলো। সে সবদিক ভালো করে দেখে সোমার হাত ধরে হাঁটা শুরু করল। সোমাকে নিয়ে সে অনেক দূরে নির্জন জায়গায় চলে এলো। আকাশে হঠাৎ করে বিদুৎ চমকে উঠল। আকাশ কালো হয়ে গেছে, মনে হচ্ছে এখনই বৃষ্টি নামবে। সোমার কেন জানি এখন খুব ভয় করছে। সে অনেকক্ষণ থেকেই রমিজ আলীকে জিজ্ঞাসা করে যাচ্ছে আর কত দূর? প্রতিবারের উত্তরেই রমিজ আলী বলছে, “এইতো আর একটু।” রমিজ আলী আজ ভীষণ খুশি। অনেকদিন পর তার মনের আশাটুকু পূর্ণ হতে যাচ্ছে। সামনে বট গাছটাকে দেখতে পেয়ে তার খুশি যেন চরম মাত্রাই পৌঁছে গেছে। এইদিকে মানুষ খুব একটা আসে না । তাই তার কাজটা করতে বেশ সুবিধা হবে। রমিজ আলী সোমার হাতটা ছেড়ে তার গায়ে হাত বোলাতে লাগল। বিভিন্ন জায়গায় হাত দিতে লাগল রমিজ আলী। সোমার একদম ভালো লাগছে না এইসব। সে রামিজ আলীকে বলল,

-চাচা আমার এইসব ভালো লাগছে না। আমি বাসায় যাব। অন্যদিন এসে মিনিকে দেখব। আমায় বাসায় দিয়ে এসো।

সোমার কথা শুনে রমিজ আলী অট্টহাসি দিতে লাগল। রমিজ আলীর হাসি দেখে সোমার প্রচণ্ড ভয় লাগতে শুরু করল। রমিজ আলী তার দিকে এগিয়ে আসতে লাগল। সোমার দিকে হাত বাড়াতেই সোমা রমিজ আলীর হাতে কামড় বসিয়ে বট গাছটার দিকে দৌড় দিল। ঠিক তখনই আকাশ ভেঙে ঝুম বৃষ্টি নামল। সোমা নিজেকে বট গাছটার পিছনে লুকিয়ে ফেলল। রমিজ আলীও দৌড়ে বট গাছটার কাছে আসল। সে হাসতে হাসতে সোমাকে বলতে লাগল বেড়িয়ে আসতে।

সোমা বসে কাঁদছে। সোমা কিছু বুঝার আগেই তার চুলের মুঠি ধরে রমিজ আলী তাকে বট গাছের পিছন দিক থেকে সামনে এনে ফেলে দিল।

রমিজ আলী সোমার কাছে আসতেই তার সারা শরীর ভয়ে কাঁপতে লাগল। সে তার চোখকে বিশ্বাস করাতে পারছে না যা সে দেখছে তা কী সত্যি?
সোমার চেহারা শুধু বদলাচ্ছে। এতোদিন সে যত গুলো লাশের সাথে খারাপ কাজটা করেছে সবার চেহারা যেন একের পর এক আসতে লাগল। কখনও সোমার দাদীমা কখনও বা মর্গের কোনো লাশ এবং শেষ পর্যন্ত মিনির মত চেহারা হয়ে গেল সোমার। সোমার এমন রূপ বদলাতে দেখে রমিজ আলীর কাছে কেন জানি তাকে দেবী দূর্গা বলে মনে হচ্ছে। দেখতে দেখতে সোমার চোখ গুলো ভয়ংকর রকমের লাল হয়ে গেল। তার দাঁত আর নখ গুলো হিংস্র জানোয়ারের মত ধারালো আর বড় হয়ে গেল।

সোমা একাই বাসায় ফিরেছে সন্ধ্যায়। শায়লা বেগম যখন জিজ্ঞাসা করল, সে কোথায় ছিল বিকেল থেকে? সোমা শুধু উত্তরে জানায়, রমিজ চাচা বট গাছের ডালের সাথে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এর থেকে বেশি কিছু বলার আগে সোমা জ্ঞান হারায়। সোমার ভীষণ জ্বর। শায়লা বেগম তার মাথায় জ্বলপট্টি দিচ্ছে। আর সোমার বাবা গেছেন বাকিদের সাথে রমিজ আলীর জানাযা পড়তে। গত কাল রমিজ আলীর দেহটা বট গাছের সাথে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া গেছে। খুব নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছে তাকে। তার দেহটা যখন পাওয়া যায় তখন দেখতে পাওয়া যায় যে, তার একটা চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। তার নগ্ন দেহে হাজার ও আঁচড় আর কামড়ের দাগ। কোনো কোনো জায়গায় মাংস তুলে নেওয়া হয়েছে কামড়ে। তাছাড়া তার বুকের মাঝখান থেকে চিঁড়ে রাখা হয়েছে। ভিতরে যা কিছু আছে সব বেরিয়ে চলে এসেছে। পোস্টমর্টেমের রিপোর্ট অনুযায়ী পরে জানা যায় যে, তার গায়ে যেসব আঁচড়ের দাগ পাওয়া গেছে তা বিড়ালের নখের আঁচড়। আর কামড় গুলো মানুষের। এছাড়া আরও জানা যায় যে, রমিজ আলী নিজে গলায় ফাঁস দেয়নি, কয়েক জন মিলে তার গলা টিপে তাকে হত্যা করেছে, তারপর গাছের সাথে তার নগ্ন দেহটা ঝুলিয়ে দিয়েছে। রমিজ আলীর মৃত্যুটা সবার কাছে রহস্য থেকে গেল। সোমা ছাড়া আর কেউ জানল না সেদিন বিকেলে কি হয়েছিল।”

আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্প প্রতিযোগিতা – ১ এ দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ‘ডাকপিয়ন‘ সামাজিক ছোটগল্পটি পড়তে ক্লিক করুন >> ডাকপিয়ন । জুয়েল ইসলাম । আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্প

সোমা ও মিনি । আত্মপ্রকাশ নির্বাচিত গল্প । লেখক পরিচিতি

লেখকঃ সানজিদা প্রীতি
ছোটগল্পঃ সোমা ও মিনি
গল্পের জনরাঃ ভৌতিক
দেশের বাড়িঃ নোয়াখালী
পড়াশোনাঃ বোটানি বিভাগ, নোয়াখালী সরকারি কলেজ,(স্নাতকে অধ্যয়নরত আছি) ২০১৮।

Sanjida-Preeti-সানজিদা-প্রীতি-attoprokash-writter
লেখিকা – সানজিদা প্রীতি

সাহিত্যের জগতে এখনও নবীন। লিখালিখিটা এখন নেশায় পরিনত হয়েছে।ইচ্ছে আছে লিখালিখি নিয়ে অনেক দূর পর্যন্ত যাওয়ার।

Tags
পুরো আর্টিকেল পড়ুন

আত্মপ্রকাশ সম্পাদক

আত্মপ্রকাশে অপ্রকাশিত গল্প এবং বুক রিভিউ এবং প্রবন্ধ প্রকাশ করতে যোগাযোগ করুন (ইমেইল-attoprokash.blog@gmail.com) অথবা ফেইসবুক পেইজ ইনবক্স। সর্বনিম্ন ১০০০ শব্দ হতে যেকোনো ঊর্ধ্ব সীমার ছোট গল্প গ্রহণযোগ্য। আপনার গল্প আত্মপ্রকাশ বিচারকদের দ্বারা নির্বাচিত হলে আপনাকে জানানো হবে এবং তা সরাসরি প্রকাশ করা হবে আত্মপ্রকাশে। আপডেট জানতে ফেইসবুক গ্রুপে সক্রিয় থাকুন।
Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker